৬ই অক্টোবর, ২০২২ ইং | ২১শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

EN

বিরুদ্ধ মত দমন করতেই ধরপাকড় মোদির?

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ২:২৭ পূর্বাহ্ণ , ৩১ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হুট করেই ভারতজুড়ে ‘মাওবাদী মাওবাদী’ রব উঠেছে। কোপ পড়েছে বুদ্ধিজীবী, মানবাধিকারকর্মী এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিতদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের ওপর। গড়বড় করলেই গায়ে পড়ছে মাওবাদী সিল, পোরা হচ্ছে জেলে। শুধু তা-ই নয়, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইনে, যাতে কারাবাস দীর্ঘায়িত করা যায়। কারণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এখন প্রয়োজন ‘জি হুজুর’ বলে মুখে ফেনা তোলা পোষা বিড়াল। কোনো বিরোধিতা সহ্য করবেন না তিনি।

ভারতের পাঁচটি শহরে গত মঙ্গলবার অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। তাঁরা হলেন কবি ও লেখক ভারভারা রাও, সমাজকর্মী ভারনন গনজালভেজ, আইনজীবী সুধা ভরদ্বাজ, মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী অরুণ ফেরেইরা এবং সাবেক সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী গৌতম নওয়ালাখা। পুলিশ অবশ্য খুঁজছিল ১০ জনকে। পুলিশের দাবি, এসব ব্যক্তি নাকি একটি ‘বিশাল ষড়যন্ত্রে’ যুক্ত। এর মধ্যে ভারভারা রাওয়ের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা আদতে ষড়যন্ত্র করছিলেন কি না, সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে পুলিশ স্পষ্ট করে কিছু বলছে না। শুধু বলছে, তাঁরা দোষী!

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ওপর সাত দিন নজরদারি করার পরই গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। পুনে সরকার জানিয়েছে, ‘নতুন প্রমাণ’ হাতে পাওয়ার পরই অ্যাকশনে পুলিশ। আর পুলিশ বলছে, ‘নতুন প্রমাণ’ বলতে কিছু নেই!

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, এই গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক রোমিলা থাপারসহ অন্যরা। গতকাল বুধবার শুনানি শেষে আদালত জানিয়েছেন, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের গৃহবন্দী থাকতে হবে। একই সঙ্গে আদালত আরও বলেছেন, ‘বিরুদ্ধ মত গণতন্ত্রের সেফটি ভালভ। যদি সেফটি ভালভ না থাকে, তবে প্রেশার কুকারে বিস্ফোরণ হতে পারে।’

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নরেন্দ্র মোদির সরকার বিরুদ্ধ মত দমন করতে চাইছে। এ কারণেই বহুল চর্চিত ‘মাওবাদী’ ও ‘নকশাল’ শব্দ দুটি বেছে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার মসনদে বসা সব রাজনৈতিক শক্তিই দমন-পীড়নে এই শব্দ দুটি ব্যবহার করেছে। একসময় কংগ্রেসও ‘নকশাল’ ও ‘মাওবাদী’ সিল দিয়ে বিরোধীদের দমন করেছে বলে অভিযোগ আছে। এবার সেই পুরোনো অস্ত্রেই নতুন করে শাণ দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। লক্ষ্য হলো বিরোধী কণ্ঠ। তা তিনি শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, অধিকারকর্মী—যা-ই হন না কেন।

ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সবাই বামপন্থী এবং নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সোচ্চার। বিভিন্ন সময় আদিবাসী, দলিত, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে তাঁর মুখ খুলেছেন। এখন মাওবাদী তকমা দিয়ে তাঁদের দমন করার চেষ্টা করছে সরকার।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কারা?
৭৮ বছর বয়সী ভারভারা রাও একজন বিখ্যাত কবি ও লেখক। বিপ্লবী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ লেখকদের নিয়ে সংঘ করেছিলেন তিনি। এর আগে জেলেও গেছেন কয়েকবার। মূলত, ক্ষদ্র জাতিসত্তার লোকজনের অধিকার নিয়ে উচ্চকণ্ঠ তিনি। ভারনন গনজালভেজ একজন লেখক ও সমাজকর্মী। ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। এর আগে মুম্বাইয়ের একটি কলেজে অধ্যাপনা করতেন ভারনন।

বিবিসি জানিয়েছে, একসময় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন সুধা ভরদ্বাজ। মার্কিন পাসপোর্ট ত্যাগ করে দেশে এসে ভূমি অধিকার ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার লোকজনের অধিকার নিয়ে কাজ শুরু করেন সুধা। ৫৬ বছর বয়সী এই নারী ট্রেড ইউনিয়নেও সক্রিয়। দিল্লির ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনাও করেন সুধা।

অরুণ ফেরেইরা একজন মানবাধিকারকর্মী। আইনজীবী হিসেবেও তাঁর খ্যাতি আছে। আর গৌতম নওয়ালাখা একজন সাবেক সাংবাদিক। পিপলস ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেটিক রাইটস নামক একটি মানবাধিকার সংস্থার সদস্য গৌতম। মানবাধিকারকর্মী হিসেবে পরিচিত তিনি।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে আরও পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার কারাগারে ঢুকলেন আরও পাঁচজন। গত ১ জানুয়ারি ভীমা-কোরেগাঁওয়ে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে উচ্চবর্ণের মারাঠাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের তদন্ত করতে গিয়েই এই গ্রেপ্তার। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মাওবাদী-সংশ্লিষ্টতা কাজে লাগিয়ে নাশকতার চেষ্টা করেছিল। দুটি চিঠির সূত্র ধরে সেই পরিকল্পনা জানা গেছে।

অথচ ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে প্রকাশ, ভীমা-কোরেগাঁওয়ে সংঘর্ষে সহিংসতার ঘটনায় অভিযুক্ত অনেক উচ্চবর্ণের ব্যক্তি ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।ভারভারা রাও, গৌতম নওয়ালাখা, সুধা ভরদ্বাজ, অরুণ ফেরেরা, ভারনন গনসালভেস। ছবি: সংগৃহীতভারভারা রাও, গৌতম নওয়ালাখা, সুধা ভরদ্বাজ, অরুণ ফেরেরা, ভারনন গনসালভেস। ছবি: সংগৃহীত

নিন্দার ঝড়ে মোদি
বুদ্ধিজীবী, মানবাধিকারকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে ভারতে। অভিযোগের তির বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অক্সফাম এক যৌথ বিবৃতিতে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছে। সমালোচনায় মুখর বুকার পুরস্কারজয়ী লেখিকা অরুন্ধতী রায়, ঐতিহাসিক রামচন্দ্র গুহ প্রমুখেরা। তোপ দেগেছে কংগ্রেস, সিপিএমসহ বিরোধী দলগুলোও।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক আকার প্যাটেল বলেছেন, রাষ্ট্রের সমালোচনা করায় দ্বিতীয়বারের মতো অধিকারকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের ওপর দমন-নিপীড়ন নেমে এসেছে। তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ভারতের সবচেয়ে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার রক্ষার বিষয়ে কাজ করার ইতিহাস আছে।’

এএফপি বলছে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে অবনমন ঘটায় গত জুলাইয়ে রিপোর্টারস উইদাউট বর্ডারস ভারতকে সতর্ক করেছে। অন্যদিকে, ভারতের ভার্চুয়াল জগতে বিদ্বেষমূলক প্রচারও অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি হচ্ছে। যদিও গতকালই অনলাইন জগতে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষ না ছড়াতে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তবে সেটিকে ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। কারণ, অভিযোগ আছে, বিদ্বেষ ছড়ানোর মূল ক্রীড়নক বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)।

কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সুযোগ ছাড়েননি। প্রধানমন্ত্রীর ‘নয়া ইন্ডিয়া’ ধারণাকে কটাক্ষ করে টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘ভারতে একটি বাদে আর কোনো বেসরকারি সংস্থার স্থান নেই, সেটি হলো আরএসএস। বাকি সব বেসরকারি সংস্থা বন্ধ করে দিন। সব অধিকারকর্মীকে কারাগারে নিন এবং যারা অভিযোগ করবে, তাদের গুলি করুন। নতুন ভারতে স্বাগতম।’

লেখিকা অরুন্ধতী রায় বলেছেন, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচন ঘিরেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এটি ঘটতে দিতে পারি না। আমাদের সবাইকে এক হতে হবে। তা না হলে যেসব স্বাধীনতা নিয়ে আমরা সন্তোষবোধ করি, তার সবই হারাতে হবে।’নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ছবিটি টুইটার থেকে নেওয়া।নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ছবিটি টুইটার থেকে নেওয়া।

বিরুদ্ধ মত দমনই শেষ কথা?
ভারতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। যে কংগ্রেস আজ বিজেপির সরকারের গ্রেপ্তারের ব্যাপক সমালোচনা করছে, সেই দলই ১৯৭৫ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে নাগরিক অধিকার স্থগিত করেছিল। মজার বিষয় হলো, বিজেপি সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে নিন্দুকেরা সেই জরুরি অবস্থার সময়কেই টেনে আনছেন। বলা হচ্ছে, মোদির সরকার নাকি ওই অবস্থাতেই গেছে। অভিযোগ আছে, সেই সময়ে জরুরি অবস্থার ছুতোয় বিরোধী নেতা ও সমালোচকদের গারদে পোরা হয়েছিল। কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল গণমাধ্যমের।

বিবিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভীমা-কোরেগাঁওয়ের সংঘর্ষে উসকানি ও আরও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন পাঁচ বুদ্ধিজীবী ও অধিকারকর্মী। কিন্তু উসকানির অভিযোগ সবচেয়ে বেশি আছে মোদির বিজেপি ও আরএসএসের বিরুদ্ধেই। বিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করার অভিযোগও আছে মোদির দলের বিরুদ্ধে। অথচ তারাই এখন শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের ‘শহুরে নকশাল’ আখ্যা দিচ্ছে! ঠিক যেমন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে ‘জনগণের শত্রু’ বলে অভিহিত করেন।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্বানন্দ দ্য কুইন্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তীব্র শ্লেষের সুরে লিখেছেন, ‘মানুষকে জোর করে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা হচ্ছে যে বিপজ্জনক খুনিরা শিক্ষক, লেখক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, অভিনেতা প্রভৃতি পরিচয়ে চারপাশে লুকিয়ে রয়েছে। তারা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে এবং প্রধানমন্ত্রীর অধিনায়কত্বে চলা উন্নয়নের দ্রুতগতির ট্রেনকে লক্ষ্যচ্যুত করতে চাইছে।’

‘মাওবাদী’ ইস্যুতে বিজেপি ও কংগ্রেসের আরও মিল আছে। কংগ্রেস-মনোনীত ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং একদা বলেছিলেন, মাওবাদীরা দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। সুতরাং ‘মাওবাদী’ বা ‘নকশাল’ তকমা নতুন কিছু নয়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, আগের সব সরকারই এটি করেছে, বিজেপিও করছে।

এদিকে মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত একটি বিশাল কেনাকাটায় সরাসরি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধীরা বলছেন, ক্রয়সংক্রান্ত প্রচলিত প্রক্রিয়া এড়িয়ে এ ধরনের চুক্তি করে মোদি বোঝাতে চাইছেন, তিনিই রাষ্ট্র। আর এ ধরনের কাজ করতে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করেছেন মোদি। ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ ও কার্ভি ইনসাইটসের যৌথ জরিপে দেখা গেছে, বিজেপির জনসমর্থন কমলেও প্রধানমন্ত্রী পদে এখনো মোদিকেই দেখতে চান অধিকাংশ ভারতীয়। সমালোচকেরা বলছেন, জনপ্রিয়তাকে ঢাল বানিয়ে সরকারের ব্যর্থতাকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে চলছে বিরুদ্ধ মতকে দমনের চেষ্টা। সংবাদমাধ্যমে একবারও এটা বলা হচ্ছে না, বিজেপি পর্যাপ্ত আসন না পেলে জনপ্রিয় নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সংসদীয় গণতন্ত্র সে সুযোগ রাখেনি।

অবশ্য বিজেপির নেতৃত্বাধীন একটি উগ্র জাতীয়তাবাদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এমন আশঙ্কা করা হচ্ছিল। নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন গত বছরই বলেছিলেন, ব্যক্তিস্বাধীনতা লঙ্ঘনের ভয় সৃষ্টি এবং বিরুদ্ধ মতকে স্তব্ধ করে একটি সংলাপভিত্তিক সমাজ গড়ার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘অসহিষ্ণুতার মধ্যে থেকেও অতিমাত্রায় সহনশীল আমরা।’

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল গণতন্ত্রের দেশ ভারত এখন সেই সহ্যশক্তির পরীক্ষাতেই পড়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

August 2018
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
আরও পড়ুন