৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

EN

অনেক দু:খ কষ্ট পেরিয়ে বিএনপি

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১১:৫১ অপরাহ্ণ , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 9 months আগে

স্টাফ রিপোটার:-মোবারাক হোসেন চৌধুরী নাছির

শের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির বয়স এবছর ৪৭বছর পূর্ণ হলো। ১৯৭৮ সালের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি দে জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত এ দলটিকে এ পর্যন্ত অতিক্রম করতে হয়েছে অনেক চড়াই-উৎরাই। নানা চক্রান্তে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে বারবার। একাধিকবার ভাঙনের মুখে পড়েছে দলটি। তারপরও টিকে আছে ভালোভাবেই। যদিও এর সাংগঠনিক দুর্বলতা ও বিশৃঙ্খলার কথা অস্বীকার করা যাবেনা। ঐতিহাসিক এক যুগসন্ধিক্ষণে জন্ম হয়েছিল বিএনপির। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর দেশে নেতৃত্ব সঙ্কটের পাশাপাশি রাজনৈতিক শূন্যতাও দেখা দেয়। একই বছরের ৭ নভেম্বরের সফল সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতার পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন। তারপর নানা ঘটনা পরম্পরায় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি। ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান প্রধান সমারিক আইন প্রশাসক থাকা অবস্থায় বাকশাল আইনের কতিপয় ধারা স্থগিত করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। তখন রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি এ এম সায়েম। ১৯৭৬ সালের ডিসেম্বরে দেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেয়ার পরপরই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘোষণা করেন, দ্রুত দেশে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। আর তা হবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিতে। ১৯৭৮ সালের সালের ৪ জানুয়ারি জিয়াউর রহমানের অনুপ্রেরণায় নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) গঠিত হয়। ভাইস-প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে সে দলের আহবায়ক করা হয়। এর পর ওই বছর ৩ জুনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ ঘটে। একদিকে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে কেন্দ্র করে সংগঠিত হয় বাম-ডান ও মধ্যপন্থি কয়েকটি রাজনৈতিক দল। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সমমনা দলগুলোও একটি মোর্চা গঠন করে। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয় জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট। অপরদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক ঐক্য জোট। প্রেসিডেন্ট জিয়া ধানের শীষ মার্কা নিয়ে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের প্রর্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অপরদিকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী (অব.) গণতান্ত্রিক ঐকজোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে জিয়াউর রহমান এক কোটিরও বেশি ভোটের ব্যবধানে ওসমানীকে পরাজিত করে জনগণের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এরপরই জিয়াউর রহমান একটি রাজীনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। আর এ কাজে তিনি প্রধান সহযোগী হিসেবে পেয়ে যান সে সময়ের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও কুশলী রাজনীতিবিদ ন্যাপ চেয়ারম্যান মশিয়ুর রহমান যাদু মিয়াকে। গঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তার কারণে দলটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে প্রণীত হয় বিএনপির ঘোষণাপত্র (মেনিফেস্টো)। বিএনপি প্রথম বিপর্যয়ের মুখ পড়ে ১৯৮১ সালের ৩০ মে। সেদিন সেনাবাহিনীর কতিপয় উশৃঙ্খল সদস্যের হাতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। নবগঠিত দলটি পড়ে যায় মহাসঙ্কটে। সে সময় অনেকই সংশয়ে ছিলেন, জিয়াবিহীন বিএনপি টিকে থাকবে কি না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। তদানুযায়ী সে বছর ১৫ নভেম্বর জনগণের সরাসরি ভোটে দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির প্রার্থী হন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন ড. কামাল হোসেন। নির্বাচনে ৮৬ লাখ ভোট বেশি পেয়ে বিচারপতি আবদুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন করেন। আর এটা করতে গিয়ে দেখা দেয় কোন্দল। সে কোন্দলের জেরে সাত্তার সরকার হয়ে পড়ে বিপর্যন্ত। প্রেসিডেন্ট জিয়ার হত্যাকাণ্ডের পরই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল হুসাইন মুহান্নদ এরশাদ। বিচারপতি আবদুস সাত্তারের রাষ্ট্র পরিচালনায় দুর্বলতা ও তার কেবিনেটের মধ্যে বিভক্তি এরশাদকে ক্ষমতা দখলের সুযোগ করে দেয়। সরকারকে বিপাকে ফেলার জন্য চলতে থাকে নানারকম ষড়যন্ত্র। এমন সময়ে যুব উন্নয়নমন্ত্রী আবুল কাশেমের বাসা থেকে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জের কুখ্যাত খুনি-সন্ত্রাসী ইমদাদুল হক ইমদুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। সংবাদপত্রে তা তীব্র সমালোচনার ঝড় তোলে। এর আগে সেনাপ্রধান এরশাদ ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা কাউন্সিল’ গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনার অংশীদারিত্ব দাবি করেছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তার রাজি হচ্ছিলেন না। তারপর থেকেই এরশাদ বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মওকা খুঁজতে থাকেন। মন্ত্রীর বাসা থেকে খুনের আসামি ইমদুর গ্রেপ্তার তাকে সে সুযোগ এনে দেয়। অতঃপর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাতে অস্ত্রের মুখে বয়োবৃদ্ধ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন সেনাপতি হুসাইন মুহল্লদ এরশাদ। এর ফলে নবগঠিত দল বিএনপি পড়ে মহাদুর্বিপাকে। জিয়ার অবর্তমানে কে বিএনপির হাল ধরবে তা নিয়ে নেতৃত্বের মধ্যে দেখা দেয় বিভাজন। অবশেষে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সদ্য স্বামীহারা গৃহবধূ খালেদা জিয়াকে বেরিয়ে আসতে হয় ঘর থেকে। ১৯৮৩ সালে বিএনপির সদস্যপদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক অভিষেক ঘটে। এরপর শারীরিক অসুস্থাজনিত কারণে তৎকালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি আবদুস সাত্তারের অপারগতা হেতু প্রথমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারমান ও পরে দলের কাউন্সিল অধিবেশনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া যখন রাজনীতিতে আসেন এবং বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ছিল ঝঞ্ঝাক্ষুদ্ধ সময়। ক্ষমতায় দখলদার সেনাশাসক এরশাদ। এ সময়ে বিএনপি প্রথম ভাঙনের কবলে পড়ে। এরশাদের প্ররোচনায় দল ভাঙেন সিরিয়র তিন নেতা রিয়াজউদ্দিন আহমদ ভোলা মিয়া, শামসুল হুদা চৌধুরী ও ডাক্তার এম এ মতিন। এ তিনজনই জিয়াউর রহমান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। এরপর জেনারেল এরশাদের প্রলোভনে দল ছাড়েন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মাঈদুল ইসলাম মুকুল, কে এম ওবায়দুর রহমান, শাহ আজিজুর রহমান, আবদুল আলীম, ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মহামুদসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। সময়টা ছিল বিএনপির জন্য চরম সংকটের। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীরা ছিল ঐক্যবদ্ধ। তারা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথ দখলে রাখে এবং দলকেও বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। এই সময়ের মধ্যে বিএনপিকে আন্দোলনের পথ থেকে সরানোর বহু চেষ্টা করেন এরশাদ। খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করা হয় কয়েকবার। কিন্তু অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হন। ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচন বর্জনের সর্বসন্নত সিদ্ধান্ত থাকলেও শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনের পিঠে ছুরিকাঘাত করে তাতে অংশ নেন। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এরশাদের পদত্যাগের দাবিতে নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। স্বৈরশাসকের সঙ্গে কোনোরকম আপস না করায় খালেদা জিয়া ভূষিত হন ‘আপসহীন নেত্রী’র অভিধায়। অবশেষে জয় হয় খালেদা জিয়া, তথা বিএনপির। তীব্র গণঅন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সনের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগে বাধ্য হন স্বৈরশাসক এরশাদ। সুচিত হয় বিএনপির নতুন অধ্যায়। সুপ্রিমকোটের প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে সব রাজনৈতিক দলের সন্নতিতে গঠিত হয় নির্দলীয়-নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার। সে সরকারের অধীনে ১৯৯১ সনের ২৭ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিএনপি। খালেদা জিয়া হন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। চার বছরের মাথায় সংকটে পড়ে বিএনপি। আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলে। সে আন্দোলন মোকাবিলায় কার্যত ব্যর্থ হয় বিএনপি এবং দলগুলোর বয়কটের মুখে একটি ভোটারবিহীন নির্বাচনের করে ওই বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি। সে সংসদে পাশ হয় নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন। ১৯৯৬ সনের ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম সাধারণ নির্বাচন। ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির। ওপর খড়গহস্ত হয়ে নানা নিবর্তনমূল ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ২০০১ সালে ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সে নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগের পাঁচ বছরের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক রায় দেয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট দুই শতাধিক আসনে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে। কিন্তু ২০০৭ সালের সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টির আন্দোলনে সৃষ্ট অরাজক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ১১ জানুয়ারি দেশে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। আবারও বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়ে বিএনপি। এবারের বিরূপ পরিস্থিতি হয় দীর্ঘ। ২০০৮ সালের নীলনকশার নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাসীন করে দেশি-বিদেশি শক্তি। বিএনপিকে মাত্র ৩০টি আসন নিয়ে সংসদে বসতে হয়। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি বাতিল। করে। এর প্রতিবাদে মাঠে নামলেও সরকারের দমননীতির কারণে আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে ব্যর্থ হয় বিএনপি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থেকে দলটি ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা নির্বাচনে ক্ষমতায় যায় আওয়ামী লীগ। ২০১৮ সালে দেশি-বিদেশি পরামর্শকদের পরামর্শে নির্বাচনে অংশ নেয় বিএনপি। কিন্তু আওয়ামী লীগের পেশিশক্তির কাছে টিকতে না পেরে ভোটের মাঠ থেকে উঠে যায় দলটির প্রার্থী ও কর্মীরা। মাত্র ৬টি আসনে জয়ী ঘোষণা করা হয় বিএনপিকে। আওয়ামী লীগের শেষ পনের বছর বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার নানা ষড়যন্ত্র চলে। মিথ্যা বানোয়াট মামলায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারগারে আটকে রাখা হয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একই ধরনের মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। দলটিকে টুকরো টুকরো করারও চক্রান্ত হয়। কিন্তু বরাবরের মতো এবারও তৃণমূল কর্মীদের দৃঢ় ঐক্যের কারণে তা সফল হয় নি। অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার। বিএনপির আকাশ থেকে সরে যায় দুর্যোগের মেঘ। ১৯৭৮ থেকে ২০২৫। দীর্ঘ সাতচল্লিশ বছর। নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিএনপি এখন দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। আজ দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই শুভদিনে আমরা দলটির নেতাকর্মীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

September 2025
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
আরও পড়ুন