১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

EN

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে যথাযথ নিয়ম না মেনেই কাজ হচ্ছে

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৮:২৬ অপরাহ্ণ , ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 years আগে

স্টাফ রিপোর্টারঃ ব্রহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে রাস্তা সংস্কার কাজ যথাযথ নিয়ম না মেনে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এই বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের অধীনে উপজেলার সিংগারবিল থেকে হরষপুর ভায়া মির্জাপুর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা।

কাজটি যৌথভাবে পেয়েছে মেসার্স মোস্তফা কামাল ও মাহাবুব ট্রেডার্স নামে দুই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়রা জানান, মেরামত কাজে যে মালামাল ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলো আগের কাজের ব্যবহৃত মালামাল। রাস্তায় ব্যবহৃত ইট ও পিচ তুলে সেগুলো নতুন নিম্মমানের ইটের খোয়ার সঙ্গে মিশিয়ে কাজ করা হচ্ছে। কাজের ধরন ছিল পুরনো পিচের পাথর পুরানো খোয়ার সাথে মিক্সিং করে  ভালোভাবে রুলিং করা তার পর বালু ফেলে নতুন খোয়া ফেলা কিন্তু বাস্তবে তা না করে কাজ করে যাচ্ছে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সমাজসেবক আশরাফুল ভূইয়া সুমন বলেন, ‘বরাদ্দ প্রচুর আছে যাতে ভালোভাবে কাজটি হয়। অথচ রাস্তায় খুবই নিম্নমানের কাজ হচ্ছে। পুরাতন ইট আঙুল দিয়ে টিপ দিলেই গুঁড়া হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি এলে কয়েকদিনের মধ্যেই এই রাস্তা আবার ভেঙে যাবে।’ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের এ ব্যাপারে ভূমিকা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম. মাহাবুব হোসাইন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে পরিমাণ নিম্নমানের কাজ হচ্ছে, তা জীবনেও দেখিনি! কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিভাগীয় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

কাজের মানের তদারকির দায়িত্বে থাকা মারুফ আহম্মেদ রনির কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিছুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছেও অভিযোগ এসেছে। রাস্তার কাজ যদি খারাপ হয় আমি বিল আটকে দেব।’

যদিও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো বলছে- বাঙালির স্বভাবই হলো অভিযোগ দেয়া। মেসার্স মোস্তফা কামালের ভাগিনা  দানা মিয়া বলেন  ‘কাজ ভাল হচ্ছে’।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

আরও পড়ুন