২৮শে নভেম্বর, ২০২২ ইং | ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

EN

ঈদ বলে কথা’ মার্কেট-ফুটপাতে সরাইলে উপচেপড়া ভিড়

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৭:২৫ অপরাহ্ণ , ৭ মে ২০২১, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে

মো.তাসলিম উদ্দিন সরাইল( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ভাই করোনা আছে জানি তবে ঈদ বলে কথা’ ঘরের পোলাপান কি আর এ কথা মানে এমন করে বলছিলেন সুমছু মিয়া।
ঈদ কেনাকাটায় মার্কেট-ফুটপাতে উপচেপড়া ভিড়
করোনা ভীতি উপেক্ষা করে ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে কেনাকাটায় মহাব্যস্ত সরাইল উপজেলাবাসী।
এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো তাড়না নেই। কিছু কিছু মার্কেটে পা ফেলার জায়গাও পাওয়া দুষ্কর। সরাইল বকুল তলায় একজনের সঙ্গে আরেক জনের গা ঘেঁসে ঘেঁসে চলতে দেখা গেছে। অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদে নতুন কাপড় কিনতে মার্কেটে আসা শিশুদেরকেও মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। বিক্রেতারা বলছেন, আজ ৭ মে শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় ক্রেতাদের ভিড় অনেক বেশি। প্রায় প্রতিটি মার্কেটে বিক্রিও হচ্ছে সন্তোষজনক বলে জানান বিক্রেতারা। সরাইল এলাকায় জমির ধান কাটা প্রায় শেষের দিকে ঈদের মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়ের কারণে সরাইল অন্নদার মোড় থেকে বাজারে থেমে- থেমে প্রধান সড়কে তীব্র যানজটেরও দেখা মেলে।
করোনা মহামারিতে প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বাড়ছে সংক্রমণও। সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরও উপজেলাবাসী কিংবা জনসাধারণের মধ্যে যেন কোনো ধরনের করোনা ভীতি নেই। এই সংকটকালেও নিশ্চিন্তে ঈদের কেনাকাটা করছেন তারা। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে বেচাকেনা করতে হবে বলে জানানো হয় নির্দেশনায়।
শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সরাইলের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্তের কাছে জনপ্রিয় সরাইল বাজারের মার্কেট, তবে বকুল তলার সামনের দোকানগুলোতে শারীরিক দূরত্ব দূরে থাক, গায়ে গা লাগিয়ে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে মানুষজনকে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেকের মুখে মাস্ক থাকলেও তা সঠিক নিয়মে পরা ছিল না।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ দু’দফা শেষে তৃতীয় দফা চলছে। বিধিনিষেধের শুরুর দিকে জনসমাগম ও গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের যে সরব ভূমিকা ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে।
এদিকে চেকপোস্টগুলোতে শুরুর দিকে পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মত হলেও এখন তেমনটি দেখা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে সরাইলের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, মার্কেট- দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা কিংবা রিকশায়। স্বাস্থ্যবিধি কেউ কেউ মানছেন আর কেউবা মানছেন না, যারা মানছেন না তাদেরকে বাধ্য করাররও যেন কেউ নেই।
সরাইল সদরের বাসিন্দা রোফিয়া বের হয়েছেন সন্তানদের জন্য নতুন কাপড় কিনতে। বের হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, এখন মনে হয় করোনা কমে গেছে। অনেকেই তো বের হচ্ছেন। তাইতো আমরাও বের হয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বের হয়েছি। তাড়াতাড়ি ঘরে আইব। যাই হবে’ পরেরটা আল্লাহ আল্লাহ রহম করব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

May 2021
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
আরও পড়ুন