২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ ইং | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

EN

সরাইলে অবৈধভাবে খাল ভরাট নিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

মোঃ তাসলিম উদ্দিন, সরাইল প্রতিনিধিঃ সরাইলে কিছু প্রভাবশালী লোক অবৈধভাবে খাল ভরাট করে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্মান করার অভিযোগ এনে ফেইসবুক টাইমলাইনে পোষ্ট করেছেন রোওশন আলী নাামক এক ব্যাক্তি। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তার নিজ ফেসবুকের টাইমলাইনে এ পোস্ট করেন। পাঠকদের সুবিধার্থে তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল :

#দৃষ্টি_আকর্ষণ! #সরকারী_জায়গা_খাল_নদী_বেদখলের_বিরুদ্ধে#সারাদেশে_চলছে_অবৈধ_স্থাপনা_উচ্ছেদ_অভিযান!
“আমার একটা নদী ছিল জানলোনা তো কেউ
নদীর জল ছিলনা, কূল ছিলনা, ছিল শুধু ঢেউ”
না!
আপলোড করা ছবিগুলো কোন শিল্পীর কাল্পনিক কোন নদীর চিত্র নয়! এই চিত্র সরাইল সদরে বেদখল হওয়া এক সময়ের পানি পথে যোগাযোগের মাধ্যম একটি খাল ভরাট করে এর উপর দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করার দৃশ্য! আরেকটি হল, ময়লা-আবর্জনা ফেলে আরেকটি শাখা খাল ভরাট হবার দরুণ , পানি নিষ্কাশনে বিঘ্ন ঘটায় পঁচা পানিতে দুর্গন্ধময় খালের চিত্র।
সরাইল সদরের দুটি খালের একটি হল, অন্নদা হাই স্কুল মোড় থেকে বালিকা বিদ্যালয় হয়ে জিলুদার পাড়া পর্যন্ত। এই খালটি প্রায় বিশ বছরেরও অধিক সময় ধরে ভরাট করে বেদখল করে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালাচ্ছে কিছু প্রভাবশালী লোক। এতে করে সরাইল বাজারের পানি নিষ্কাশন মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় পথচারীদের দূর্ভোগের কোন সীমা থাকে না। বিভিন্ন সময়ে নির্বাহী প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিলেও দীর্ঘদিন যাবৎ এর কোন বাস্তবায়ন হচ্ছেনা।
এই খালটি ভরাট হবার কারনে সরাইল ছোট দেওয়ান পাড়া ও নিজ সরাইল গ্রামের মাঝখান দিয়ে আরেকটি শাখা খালও এতদিনে অচল হয়ে পড়েছে। এই খালটিও ময়লা-আবর্জনা জমে আর ঘর-গৃহস্থালী কাজের ব্যবহৃত পানি জমে পঁচে এক দুর্গন্ধময় পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই উল্লেখিত খাল দুটো পূণরুদ্ধার করে সরাইল বাজার ও দুটি গ্রামের মানুষের পানি নিষ্কাশনের জন্য বড় করে বক্স ড্রেন নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ।
রওশন আলী, ১৫/০২/২০১৯ ইং

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

February 2019
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728  
আরও পড়ুন