৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং | ২৪শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

EN

ব্রাহ্মনবাড়িয়ার কৃতি সন্তান কবি আল মাহমুদ আর নেই

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ণ , ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া টাইমস রিপোর্ট : বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।
এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কবিকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। সেদিন ইবনে সিনা হাসপাতালে তাকে প্রথমে সিসিইউতে ও পরে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

শুক্রবার তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়।

কবি আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইল গ্রামের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিতাস নদীর পাড়েই বেড়ে ওঠা। লেখালেখি শুরু সপ্তম শ্রেণি থেকে। এরপর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নেন।

১৯৭৪ সালে গণকণ্ঠের সম্পাদক থাকাকালে কারাবরণ করেন। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক পদ থেকে অবসর নেন তিনি।

কবি আল মাহমুদের রচনার মধ্যে রয়েছে, কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর, কালের কলস, সোনালী কাবিন, মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না, বখতিয়ারের ঘোড়া, একচক্ষু হরিণ, দোয়েল ও দয়িতা, দ্বিতীয় ভাঙ্গন, নদীর ভিতরে নদী, না কোনো শূন্যতা মানি না, বিরামপুরের যাত্রী, বারুদগন্ধি মানুষের দেশ, সেলাই করা মুখ, তোমার রক্তে তোমার গন্ধ ইত্যাদি।

কবির সাড়া জাগানো উপন্যাস কাবিলের বোন, পানকৌড়ির রক্ত, উপমহাদেশ, ডাহুকি, যেভাবে বেড়ে উঠি, আগুনের মেয়ে, যমুনাবতী, চেহারার চতুরঙ্গ, যে পারো ভুলিয়ে দাও, ধীরে খাও অজগরী ইত্যাদি। সাহিত্যকর্মের জন্য আল মাহমুদ একুশে পদক, বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

February 2019
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728  
আরও পড়ুন